দ্রুত ওজনের গ্যারান্টি (FCR উন্নতি): কম খাবার খাইয়ে মুরগির দ্রুত এবং সর্বোচ্চ মাংস বৃদ্ধি নিশ্চিত করে, ফলে খামারের লাভ বাড়ে।
খাদ্য খরচে বিরাট সাশ্রয়: খাবারের পুষ্টির শতভাগ শরীরে শোষিত হতে সাহায্য করে, যার ফলে ফিড অপচয় কমে এবং উৎপাদন খরচ বাঁচে।
শক্তিশালী রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা: রানীক্ষেত বা গামবোরোর মতো মারাত্মক ভাইরাসের বিরুদ্ধে মুরগির নিজস্ব ইমিউনিটি শক্তিশালী করে খামারকে সুরক্ষিত রাখে।
সুস্থ পরিপাকতন্ত্র ও রক্তপায়খানা রোধ: কোকসিডিওসিস বা রক্তমিশ্রিত পায়খানার ঝুঁকি কমিয়ে অন্ত্র সুস্থ রাখে, ফলে মুরগি দুর্বল হয় না।
শ্বাসতন্ত্রের সম্পূর্ণ সুরক্ষা: সিআরডি (CRD), হাঁচি, কাশি বা নাক দিয়ে পানি পড়ার মতো ঠান্ডাজনিত সমস্যা দূর করে মুরগিকে সবসময় সতেজ রাখে।
মজবুত হাড় ও কাঠামো: দ্রুত বৃদ্ধির সাথে সাথে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি পূরণ করে, ফলে মুরগির পা খোঁড়া হওয়া বা পা কাঁপার (Lameness) সমস্যা জিরোতে নেমে আসে।
হঠাৎ মৃত্যু (SDS) রোধ: স্ট্রেস বা অতিরিক্ত গরমে হার্ট ফেইলিউর বা সাডেন ডেথ সিনড্রোম (SDS) থেকে ব্রয়লারকে সম্পূর্ণ সুরক্ষিত রাখে।
সমান ওজনের মুরগি (Uniformity): খামারের সব মুরগির ওজন সমান হারে বাড়ে, ফলে ছোট-বড় বা আন্ডারওয়েট মুরগির কারণে হওয়া লোকসান থেকে মুক্তি মেলে।
ওষুধের খরচ কমানো ও সর্বোচ্চ মুনাফা: মুরগি প্রাকৃতিকভাবে সুস্থ থাকায় বারবার দামি অ্যান্টিবায়োটিক বা ওষুধ কেনার খরচ বাঁচে, যা খামারির পকেটে সরাসরি মুনাফা হিসেবে জমা হয়।